মাস্তুল মেহমানখানায় আনন্দময় ঈদ: এতিম ও প্রবীণদের জন্য কুরবানিতে ফিরল হাসি ও আনন্দ।

June 08, 2025

এই ঈদুল আজহায় মাস্তুল মেহমানখানার পরিবেশ ভরে উঠেছিল আনন্দ, হাসি ও ঈদের প্রকৃত চেতনায়— কারণ মাস্তুল এতিমখানার শিশু ও মাস্তুল বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষভাবে কুরবানির গরু ও ছাগল আনা হয়েছিল।

 

 

এক হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্যে শিশুদের মুখে ছিল প্রশস্ত হাসি আর উজ্জ্বল চোখের ঝিলিক। তারা কুরবানির আগে প্রাণীগুলোর চারপাশে জড়ো হয়ে খেলছিল, আদর করছিল এবং আপন করে নিচ্ছিল। অনেক শিশুর জন্য এটি কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয় — এটি ছিল নির্মল আনন্দ, ভালোবাসা ও আপন হয়ে থাকার এক বিশেষ মুহূর্ত।

 

‘ওদের মুখের হাসিই সব বলে দেয়,’ বলেন এতিমখানার এক তত্ত্বাবধায়ক। ‘আমাদের শিশুদের জন্য এই কুরবানি কেবল একটি খাবার নয় — এটি জীবনের উদযাপন, যত্ন ও তারা যে ভুলে যাওয়া হয়নি—এই অনুভূতির প্রতীক।

 

 

মাস্তুল বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণ বাসিন্দারাও ঈদের এই আনন্দে শামিল ছিলেন। শিশুরা যখন খেলছিল, তখন তারা স্নিগ্ধ হাসিতে সেই দৃশ্য উপভোগ করছিলেন, নিজেদের শৈশবের ঈদের স্মৃতিতে ফিরে যাচ্ছিলেন এবং সমাজের উষ্ণতা ও সহমর্মিতা অনুভব করছিলেন।

 

কুরবানি সম্পন্ন করা হয় গভীর যত্ন ও ভক্তির সাথে, এবং গোশত শিশু, প্রবীণ ও কর্মীদের মাঝে ভাগ করে দেওয়া হয় — যেন সবাই একসাথে পরিপূর্ণ একটি খাবার উপভোগ করতে পারেন। মাস্তুল মেহমানখানার প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে পড়েছিল উৎসবের আবহ।

 

এই বিশেষ উদ্যোগ মাস্তুল ফাউন্ডেশনের অটল অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন — সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষদের মর্যাদা দেওয়া ও তাদের জীবনকে উজ্জ্বল করে তোলা। এতিম শিশু ও প্রবীণদের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে মাস্তুল আবারও প্রমাণ করেছে, ঈদের প্রকৃত অর্থ নিহিত রয়েছে ভাগাভাগি, যত্ন ও ভালোবাসায় একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে।

Share

চলুন একসাথে পরিবর্তন আনি

দান করুন স্বেচ্ছাসেবক